Saturday, December 31, 2011

মুসলমানদের জন্যে একটা বৈষম্যহীন ভূমির দাবীতেই তৈরী হয়েছিল পাকিস্তান

বিংশ শতাব্দির ত্রিশের দশক তখন ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাষনের শেষ যূগ চলছিল প্রায় তিরিশ কোটি জনসংখ্যার ভারতে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত নগন্য শুধু সংখ্যায়ই নয়, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটেও মুসলমানদের অবস্থান পৌছে গিয়েছিল সমাজের সর্ব নিম্ন স্তরে জমিদার বাড়ির দফতর থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যেকটি গুরুত্বপুর্ন পদ যেমন, মোড়ল-মাতব্বরি সবই ছিল হিন্দুদের দখলে যদিও ভারতবর্ষের এদিকটায় মানে বাংলাদেশের অনেক জেলাতেই মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল, কিন্তু প্রভাব প্রতিপত্তিতে সবখানে হিন্দুদের দাপটই ছিল সবচে বেশি

সে সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের ভেতর গোত্রভেদ এবং অহংকার ছিল মাত্রাতিরিক্ত তাদের নিজেদের মধ্যেই জাত নিয়ে প্রচন্ড দ্বিধাবিভক্তি ছিল, উঁচু জাতের মানুষ নিচু জাতের ছায়া মাড়াতেও পছন্দ করত না আর মুসলমানদেরকে তারা তাদের সবচে নিচু জাতের চেয়েও খারাপ চোখে দেখত হিন্দুদের বাড়িতে মুসলমানদেরকে কখনোই চেয়ারে বসতে দেবার রেওয়াজ ছিল না এমনকি তাকে পিঁড়ি কিংবা চট এগিয়ে দিয়ে বসতেও বলা হত না বরং প্রয়োজনে হিন্দু গেরস্ত হয়ত মুসলমান অতিথিকে অনেকটা আদেশের ভঙ্গীতেই পাশ থেকে চট বা পিঁড়ি টেনে নিয়ে বসতে বলতেন শুধু যে অবস্থাপন্ন হিন্দু পরিবার দরিদ্র মুসলমানের সাথে এ ধরনের আচরন করত তা নয়, বরং প্রত্যেক হিন্দু পরিবারই অপেক্ষাকৃত ধনী মুসলমান অতিথিদের সাথেও এধরনের আচরনে অভ্যস্ত ছিল


জমিদার বাড়িতে কিংবা গুরুত্বপুর্ন সরকারী পদ এবং গ্রামের মাতবর শ্রেনীর পদবীগুলোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবেও প্রাধান্য বেশি পেতেন হিন্দুগন এবং এসব হিন্দু শিক্ষকগনও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ পছন্দ করতেন তাঁরা হিন্দু ও মুসলিমদের জন্যে শ্রেনীকক্ষে ভিন্ন ভিন্ন বসার স্থান নির্ধারন করে দিতেন কেউ কেউ আবার মুসলিমদের জন্যে কেবল শ্রেণীকক্ষের একদম পেছনের বেণ্চগুলো নির্ধারন করে দিতেন শুধু শ্রেনীকক্ষে বসার স্থানের ব্যাপারেই নয়, বিদ্যালয়ে সকল ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হতে হত সংখ্যালঘু মুসলিম শিক্ষার্থিদের

অধ্যাপক মোহাম্মদ মতিউর রহমান (সাবেক অধ্যাপক, বাঙলা বিভাগ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি) তাঁর ছেলেবেলার একটা ঘটনার কথা বললেন উল্লেখ্য উনার জন্ম সেই তিরিশের দশকেই তিনি কোন একদিন বিদ্যালয় থেকে তাঁর সহপাঠিদের সাথে একসাথে বাড়ি ফেরার পথে ঘটনাক্রমে হিন্দু জমিদারের কলাগাছ থেকে একটা কলা ছিড়েছিলেন কেমন করে যেন সেই খবর চলে গেল জমিদারের কাছে সেদিনই হিন্দু জমিদার তার লোকজন পাঠিয়ে মুসলমানের ছেলের হাতের ছোঁয়া লাগা গাছটিকে উপড়ে ফেলে দিলেন সেই সময়কার হিন্দু মহল এতটাই ঘৃণা করতেন মুসলমানদের

বৈষম্যের হাত থেকে বাঁচতেই মুসলিম নের্তৃবৃন্দ বহুবার দাবী তুলেছিলেন একটি সম্পুর্ণ আলাদা মুসলমান প্রধান ভূমির জন্যে এ দাবীর ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ হলেও পরে তা শক্তিশালী হিন্দু নের্তৃত্বের প্রভাবে রদ হয়ে গেল আমরা মুসলিমরা পিছিয়ে ছিলাম, পিছিয়েই রইলাম ব্রিটিষ শাষিত ভারতে সবচে ক্ষতিগ্রস্ত এবঙ বৈষম্যের শিকার হয়েছিল মুসলিমগন আর তাই ব্রিটিষ বিরোধী আন্দোলনে যতটা না ভূমিকা রেখেছে হিন্দুগন, তারচে বেশি ভূমিকা ছিল মুসলমানদেরই শেষ পর্যন্ত ব্রিটিষরা ভারত ছাড়তে রাজী হল এবং তারা হিন্দু ও মুসলিমদের জন্যে আলাদা রাষ্ট্রেও রাজী হল প্রথম দিকে লাহোর প্রস্তাবে হিন্দুপ্রধান ও মুসলিম প্রধান দুধরনের রাষ্ট্রের আলোচনায় অপেক্ষাকৃত বেশি মুসলিমের ভূমি বাংলাকে সম্পুর্ন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদা দেবার কথা হলেও ব্রিটিষরা কিছুতেই রাজী হলনা আবার জওহরলাল নেহেরুদের এক অখন্ড ভারতের দাবীও ব্রিটিষ সরকার মেনে নেয়নি এর প্রেক্ষিতে তৈরী হল ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের

ভারত কখনোই পাকিস্তানের স্বাধীনতা মেনে নেয়নি, এবং হিন্দু নের্তৃবৃন্দ এই ভারত বিভাগকে একটি সাময়িক সমাধান বলে আখ্যায়িত করে এবং সেই সাথে তারা তখন আশা পোষন করেছিল যে, অচিরেই তা আবার অখন্ড ভারতে রুপান্তর হবে তারা কেবল আশা পোষন করেই থেমে থাকেনি, বরং সেই তখন থেকেই তাদের আশাকে বাস্তবে রুপান্তর করার জন্যে নিরন্তর চেষ্টা চালাতে থাকে স্থান, প্রকৃতি ও ভাষাগত মিল থাকায় পূর্ব পাকিস্তানকেই অখন্ড ভারতের স্বপ্নের সহজ টার্গেট করে ভারত ভারতবর্ষের মুসলিমগনের পূর্ব পুরুষ ছিল ভারতীয় হিন্দুদের একই ধর্মের মানুষ এখানকার মুসলমানদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি খুব বেশি পুরোনো নয় মাত্র ১২০০ বছরের ইসলামের অনুশীলন তাদের তাই ভারতীয় চক্র এদেশের মানুষকে তার পুরোন সংস্কৃতি স্মরণ করিয়ে দিতে সবসময়ই সচেষ্ট রয়েছে এভাবে যদি তারা বাংলার মুসলমানদেরকে ইসলামী সংস্কৃতির পরিবর্তে সনাতন ধর্মীয় সংস্কারে ফিরিয়ে নিতে পারে তবেই আর বিভক্ত রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা হারাবে এই রকম পরিকল্পনা নিয়েই ষাটের দশক থেকেই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র নিজেদের অর্থে গড়ে তুলতে থাকে ছায়ানট এবং উদীচি সহ বহু সাংস্কৃতিক সংঘ

ভারতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদিচী কিংবা ছায়ানট আজ যথেষ্টই সফল আজকাল দেশে অগ্নী উপাসনা কিংবা মূর্তিপূজাকে সার্বজনীন করে ফেলা হয়েছে এখন হিন্দু আচারগুলো ধীরে ধীরে মুসলমানদের দ্বারা অনুশীলন করানো হচ্ছে আমরা দেখি অনুষ্ঠানের শুরুতে সনাতন ধর্মের আচার অনুযায়ী মোমবাতি জ্বালানো হয় এমনকি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে পুরনো রোমান পৌত্তলিকদের মত করে জ্বালিয়ে রাখা আছে "শিখা অনির্বাণ" অনেক জায়গায় ধর্মীয় গ্রন্থের পরিবর্তে গান গেয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয় কপালে হিন্দুদের মত করে তীলক পরার সংস্কৃতি ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গেছে নারীদের কপালের টিপ তো অনেক আগেই নিত্য নৈমিত্তিক হয়ে গিয়েছে একসময় বাংলা নববর্ষকে আমরা বরণ করে নিতাম হালখাতা কিংবা মিলাদ-মাহফিল দিয়ে আর এখন তা সার্বজনীনভাবে মূর্তি, পুতুল নিয়ে মিছিল করে গান গেয়ে বেহায়াপনা করে বরণ করি আগে মুসলমান সাহিত্যিকের লেখা গল্প কবিতাকে সহজেই হিন্দু সাহিত্যিকদের লেখা গল্প কবিতা থেকে আলাদা করা যেত, এখন আর তা সম্ভব হয়না মানিক বন্ধোপাধ্যায় আর মীর মোশাররফ আলীর লেখনীর পার্থক্য খুব সহজেই আমরা বুঝতে পারি কিন্তু আজকের সাহিত্যিকগনের লেখা পড়ে বোঝা মুশকিল কে যে কোন সংস্কৃতির বাহক আজকাল মুসলিম সাহিত্যিকগনও পানিকে জল বলে সম্বোধন করেন আর খোদাকে ইশ্বর বা ভগবান কিংবা সর্বোচ্চ হয়ত স্রষ্টা বলে ডাকতে পছন্দ করেন জাতিস্বত্বার পরিচয় ভূলিয়ে দেবার ষড়যন্ত্রে তারা কতখানি সফল তা বুঝতে আর বাকি থাকার কথা নয় এভাবে ধীরে ধীরে মুসলিমদের জাতিস্বত্বা তিন হাজার বছরের পুরোন বাঙালী সংস্কৃতির (যা মূলত: হিন্দু/সনাতন ধর্মীয় সংস্কৃতি) দ্বারা হারিয়ে যেতে বসেছে যতই আমরা আমাদের মুসলমানদের নিজস্ব সংস্কৃতি ত্যাগ করে হিন্দু সংস্কৃতিতে হারিয়ে যাব, ততই বাংলাদেশ তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারাবে এবং যেমনটা সিকিম এখন ভারতের একটি রাজ্যে পরিণত হয়েছে, তেমনি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের বাংলাদেশও অখন্ড ভারতের অংশে পরিণত হবার পথে এগিয়ে যাবে

Tuesday, December 27, 2011

Back to Linux, Hope Not Leaving Soon

2007, felt need of learning Linux operating system first time. Went out to have a disk, searched local CD shops, at last found "Mandriva Linux". This was the first distribution of Linux I have used. Mandriva was not only good, it was great. It's installation and graphical operating was easiest than windows and other linux distribution that time. Gradually, installed redhat, fedora, puppy etc. Once, it became a habit to setup pc three times a day with different versions of linux distributions. I can remember, I tasted about ten-eleven versions of Puppy Linux, these were light and fast operating systems.

Ubuntu is one of the most popular distribution of Linux. The day when I got a "Ubuntu" CD shipped from Netherlands, my joy felt really no bound. Got three stickers also with the package. My PC became Ubuntu PC from that day. It remained lots of days, but I had to change operating system several times because of my computer courses. Most of our teachers taught us programming languages in Windows environment, so, we had to come back to windows again and again. When I bought a notebook for first time, windows 7 was provided as default, And I didn't install any OS to it for making sure it's safe use. But, from about a week ago, my notebook hanged for several times, and it let me force shut down every time when it hanged itself. It made me so annoyed and helped me to come back to Linux.

Last week I have downloaded Ubuntu 11.10 and made a pen drive bootable for this. Installed it, and became astonished to see the changes of Ubuntu. It became more user friendly and graphically fabulous. I have already made my PC completely ready for database application development by installing Lampp and also made it ready for Graphic Programming on C++ platform using OpenGL. Hope, I am not giving up this soon.

Saturday, December 3, 2011

Egyptian Muslims and Christians




Christians of Egypt were trying to protect Muslim protesters when they were saying prayer during the protest.

Tuesday, October 25, 2011

AI Compiler LISP's Creator, John McCarthy died 24th October


Father of Modern Artificial Intelligence, John McCarthy died yesterday, 24th October. He died at his age of 84 years. He created the artificial intelligence programming language LISP. He studied Mathematics with Nobel Prize winner John Nash at Princeton University.

He has great career and achievements in science and mathematics. He arranged a chess match between scientists of US and USSR where he used telegraph technology transmitting the moves on that match. He is the owner of the lab "Siri" where he tried to give opportunities to genius scientists to explore new things in a free style. He spent his whole life to make AI more interactive and he had worked hard to make it real. He created LISP when he was creating Turing Machines for embedded systems. Most of the computer giants used his technologies and made their computing products user friendly and interactive with user's according to their own behavior. He also contributed lot to make Internet technology improved as we can see today.

John McCarthy was born in 1927 in Boston. He had lots of interest in mathematics and he tried to learn higher mathematics in his own. He achieved Ph.D from Princeton in 1951. He won the Turing Award from the Association for Computing Machinery in 1972 and the National Medal of Science in 1991. Her daughter confirmed his death informally and today Stanford has confirmed it officially.

Friday, October 21, 2011

তথ্য প্রযুক্তি কর্মীদের বেতন কাঠামোর অধ:পতন

ভাবতে অবাক লাগে যখন শুনি একজন তথ্য প্রযুক্তি কর্মীকে নিয়োগ দেয়া হয় মাত্র ৬-৭ হাজার টাকা বেতন দিয়ে। আরো অবাক হই যখন দেখি একজন প্রোগ্রামারের বেতনও ঠিক এই কাঠামো দিয়েই শুরু হয়। আর অবাক হবার মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে যেতে থাকে যখন দেখি একজনকে প্রোগ্রামার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাকে দিয়েই ইন্টারফেস তৈরীর কাজ করিয়ে নিচ্ছেন প্রজেক্ট ম্যানেজার অথবা একজন কে দিয়েই পুরো প্রজেক্টের সবগুলো কাজ করিয়ে নেয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষকে কিংবা এইসব কর্মীকেও যদি এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয় তবে তাদের উত্তর হয় এরকম, "অভিজ্ঞতা সঞ্চয় চলছে"। কিন্তু আমি জানি একে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় বলে না।

মাঝারী সাইজের কোন সাধারন প্রতিষ্ঠানে একজন আইটি কর্মীকে শুরুতে সর্বনিম্ন বেতন দেয়া হয় পনের হাজার টাকা, যেখানে সেই কর্মীর কাজ কেবল কিছু ট্রাবলশুটিং এবং সেই সাথে তৈরী একটি সফটওয়ার বা ওয়েবসাইটকে দেখা শুনা করা। আর যেসব প্রতিষ্ঠানের কাজ ওয়েব বা ডেস্কটপ সফটওয়ার ডেভলপ করা, সেসব প্রতিষ্ঠানের ডেভলপারগনে বেতন কাঠামোর রয়েছে প্রচন্ড দুরাবস্থা। কিছুদিন আগেও আমরা শুনতে পেতাম, বড়রা বলত, কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার হলেই ১০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি পাওয়া যায়। আজকে হিসেবে তা প্রায় ২০ হাজার টাকা। কিন্তু ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভলপমেন্টের যূগে একজন প্রোগ্রামারকে মাত্র ৬-৭ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে হচ্ছে, তাও যোগ্য এনভায়রনমেন্ট এবং টিম ওয়ার্কের সুযোগ দেয়া হচ্ছেনা। একজন প্রোগ্রামারকে দিয়েই পুরো একটা প্রজেক্টের এ থেকে জেড পর্যন্ত সব কিছু করানো হচ্ছে। এতে এসব প্রোগ্রামার না পাচ্ছে যোগ্য বেতন, না পাচ্ছে টিম প্লেয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ। সর্বোপরি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পারদর্শি হবার তাদের কোন সুযোগ ঐসব প্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছেনা।

কম বেতন আর সবকিছু করানোর পেছনে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় কারন নয়, এর পেছনে কারন ঐসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নিচু ব্যাবসায়িক মানসিকতা। গত ছয়মাসের ঘাটাঘাটি আর অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ঢাকা শহরে এখানে সেখানে যে আইটি কোম্পানীগুলো তৈরী হয়েছে তার ৯০ ভাগের মালিকই আইটি সম্বন্ধে যথেষ্ট জ্ঞানী নন, এবং তারা সত্যিকারের ব্যবসা করতে এ ক্ষেত্রে আসেননি। একজন আলুর ব্যবসায়ীকেও যেখানে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে মাঠে নামতে হয়, চালের ব্যবসা করতে এলেও ৫০ লাখ নিয়ে নামতে হয়, আর সেখানে সর্বোচ্চ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আইটি কোম্পানী তৈরী হয় মাত্র ২-৩ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে। তাও আবার যদি একজন সত্যিকারের তথ্য প্রযুক্তি জিনিয়াস যদি অল্প পুঁজিতে নামত তাহলেও সেটি আলাদা রকমের হত, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছু কুটিল লোকজন অন্যের ঘাড়ে চড়ে ব্যবসা করতেই মাঠে নেমেছে। একটি ফ্লাট, কয়েকটা কম্পিউটার, আর ইন্টারনেট কানেকশন, সব মিলিয়ে ২ লাখ পুঁজি খাটিয়ে আর ১ লাখ টাকা হাতে রেখে অল্প বেতনে কয়েকজন প্রযুক্তি কর্মী আর দুয়েকজন মার্কেটারকে কে নিয়োগ দিয়ে হাতে লাঠি নিয়েই এসব ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে বসে পড়েন। আর তার বেচা বিক্রির সব দায়ভার এদের উপর দিয়ে তাদের নাকের উপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন। কয়টা প্রজেক্ট এল গেল, কত টাকা আয় হল এ নিয়ে প্রোগ্রামারদের পর্যন্ত তটস্থ থাকতে হয়। একজন হতভাগা প্রোগ্রামার একে তো সঠিক বেতন পাচ্ছেননা, সেই সাথে টিম ওয়ার্ক আর পারদর্শিতার সুযোগ পাচ্ছেনা, তার ওপর কেন কোম্পানী এ মাসে আয় করতে পারলা না তার দায়ভারও তাকে নিতে হচ্ছে। একে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীগন হয়ত একে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মত মাছের তেলে মাছ ভাজার মত করে তুলনা দিতে চেষ্টা করবে, কিন্তু আমি একে বলি মাঝির দেহ থেকে তেল নিঙড়ে নিয়ে তা দিয়ে তার নৌকার ইঞ্জিন চালানোয় বাধ্য করা।

প্রোগ্রামারদের এবং প্রযুক্তি কর্মীদের প্রতি আমার অনুরোধ, এমন ধরনের প্রতিষ্ঠানে দয়া করে চাকরি করতে যাবেননা। আপনি যদি অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে চান, তবে ঘরে বসেই নিজে নিজে আউটসোর্সিং করুন, কাজ পাবার পর সেই কাজটুকু শেষ করতে যে না পারার অংশ গুলো আপনার রয়েছে সেটি আপনি গুগলে খুঁজলেই পাবেন। কাজ শেখার ব্যপারে অল্প বেতন দিতে আগ্রহী সেসব কোম্পানী আপনাকে একটুও সাহায্য করবেনা। যদি আপনি একদম নতুন হোন, তবে নিজেই একটি বাস্তবধর্মী প্রজেক্ট হাতে নিন, যতদিনই লাগুক সেটি শেষ করুন, প্রয়োজনে বিশেষ বিশেষ অংশের জন্য আপানার কাছের কোন বন্ধুর সাহায্য নিন। প্রয়োজনে নিজেরাই টিম বানিয়ে প্রফেশনাল কাজ করতে থাকুন। যারা যোগ্য সম্মান দিতে জানবেনা, তাদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই।

Friday, October 7, 2011

Working with Banking APIs using PHP- Possible but troublesome

RPC is a smart method to interaction between two different process of a same/different system in a secured way. WSDL is a w3 standard for information sharing over internet and soap is also a w3 standard. WSDL and SOAP uses XML as standard for transferring data which helps to communicate two different type of system (example. windows to unix) or two different software of different platforms.

For securing the data manipulated by the clients Banks uses some APIs which uses WSDL and SOAP standards to communicate over http. cURL helps to PHP programmers to make a http request over internet. But working with PHP for this kind of job is not so easy. For other APIs it is not so complicated, but easier. Banks uses more security so programmers should do it carefully to integrate the system with those APIs.

Usually Banks uses two different security system together. They allows only some predefined ip address with defined SSL certificates. Most of them uses pkcs12 formatted SSL, but PHP doesn't like this. For using this format to communicate. Programmers usually breaks this SSL into three different parts of PEM formatted SSL. Then it is verified by cURL codes and then the response could be found from the server. It's complicated.

Sunday, October 2, 2011

Why should we use frameworks for web development?

Web programming, now-a-days it is the biggest field of working for programmers. PHP, Ruby, python etc. are popular languages of web programming. There are some frameworks for developing web programs using PHP, Ruby and Python. Zend, Cake, Codeigniter etc. are popular frameworks of web programming. Ruby-on-rails is the framework for Ruby and Plone is the framework for Python web programming. For developing a web program, it is not a mandatory to use these frameworks, but it is better to use them.

What is client's expectation from programmers?
1. They want fresh working codes.
2. They need codes which will be understandable by other programmers.
3. They need module based codes for easy opportunity to increase or decrease functionality.
4. All of above, they need something smarter.

Are frameworks gives opportunity to fulfill these expectations?
1. Yes, frameworks has a about to standard format of coding (Model-View-Controller).
2. They have a predefined structure, so every programmers can understand where to go for editing or changing a function.
3. Frameworks use Object Oriented Style of programming which allows to divide all modules into pieces.
4. Frameworks help to write codes in smart way but it also waste time of development and execution.

Without framework, is it impossible to write smart codes?
1. No, coding is the art of coders. It should not be predefined. It is obviously possible to write codes better than frameworks.
2. Procedural codes reduces time of development and execution. It is flexible to develop something newer and different without frameworks.
3. Coder can make codes more understandable than frameworks by his own ability.

I prefer not to use frameworks. Because, I can't write codes in a predefined way. I usually like to work for new and different things with new algorithm and new possibilities. So, I don't use any framework. But a new framework or style of coding is established for my own works by my experience. I like to work with that and I will try my best to improve this style.

Thursday, August 25, 2011

একটি কালজয়ী অকালপক্ক রহস্য ছোট গল্প

ঠিক এই জায়গাটিতেই আজ সকালে হার্টফেল করে মারা গেছেন আজগর সাহেব। ঘর থেকে যখন বেরিয়েছিলেন তখনো তিনি সম্পুর্ন সুস্থ, স্ত্রী আর একমাত্র সন্তানের সাথেও বেশ খোশ গল্প করে তবেই ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন। মন মেজাজও একদম শান্ত ছিল, প্রতিদিনের মত ঠিক সময়েই অফিসের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বেরুলেন। লোকাল বাসেই যাতায়াত করেন তিনি, যতই ভীড় থাকুক না কেন, ভীড় ঠেলে বাসে চড়ায় তিনি বেশ ওস্তাদ, ২০-২৫ বছরের অভিজ্ঞতা বলে কথা। আজও কোন ব্যত্যয় ঘটলনা, বাসে উঠলেন, বসার জায়গা পাননি কিন্তু বেশ আয়েশ করে রড ধরে দাঁড়িয়েছিলেন এখানটাতে, কিন্তু তারপরই ঘটল ঘটনাটা। হার্টফেল করলেন এবং সাথে সাথেই মারা গেলেন। সেই জায়গাতেই রাত দুটোর সময় ছালু মিয়া দাঁড়িয়ে এই মৃত্যুর পেছনে অদৃশ্য কোন রহস্যের গন্ধ হাতড়াতে চেষ্টা করছেন।

ছালু মিয়া আজগর সাহেবের অনেক পুরোনো বন্ধু, আসল নাম ছালাউদ্দিন, কিন্তু টাকাওয়ালা ঘরের অকর্মা সন্তান ছালাউদ্দিন বন্ধুমহলে ধীরে ধীরে ছালু মিয়া নামেই পরিচিত হয়ে পড়েছেন। আর তাঁর অকর্মাগিরিতে সবসময় উদারহস্ত সহায়তা করে আসছে ভোলা মিয়া। এই ভোলা মিয়াকে এসিস্ট্যান্ট বানিয়ে এই তো কিছুদিন আগে ছালু মিয়া একটা প্রাইভেট ডিটেকটিভ কোম্পানি বানিয়ে ফেললেন, আজগর সাহেব সেই কোম্পানির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও উপস্থিত হয়েছিলেন আর সেদিন প্রিয় বন্ধুর জন্যে অনেক যত্ন করে শুভকামনা জানিয়ে এসেছিলেন। বন্ধুর মৃত্যুতে ছালু মিয়া একটু অপ্রস্তুতই হয়ে গেলেন, কিন্তু আবার সেই সাথে তাঁর ডিটেকটিভ কোম্পানির প্রথম এসাইনমেন্টেরও গন্ধ পেলেন, বন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই তাঁর এই রহস্যময় মৃত্যুর তদন্ত দিয়ে নিজের গোয়েন্দা ক্যারিয়ারের শুরু করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়েই এসিস্ট্যান্ট ভোলাকে প্রস্তুত হতে বলে নিজেও প্রস্তুত হয়ে নিলেন এক অজানা শত্রুর খোঁজের জন্য।

ছালু মিয়া প্রথমেই গেলেন তাঁর বন্ধুর লাশ দেখতে, আর ভোলাকে পাঠালেন ঘটনার স্থান অর্থাত সেই লোকাল বাসটিকে খুঁজে বের করতে যেটিতে মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে। বুদ্ধিমান ভোলা মিয়ার একাজে তেমন বেগ পেতে হলনা, আজগর সাহেব যে বাসে চড়েছিলেন তা হল একটা ৬ নম্বর রূটের বাস। তিনি নতুন বাজার স্টপেজ থেকে গাড়িতে চড়েছেন আর পরের স্টপেজ অর্থাত শাহজাদপুরে তাঁর লাশ নামানো হয়েছিল। ভোলা যেই মুহুর্তে বাসটির খোঁজে বেরিয়েছে তার ঠিক আধঘন্টা আগে ঘটনাটা ঘটেছে । অতএব যানজটের যে অবস্থা তাতে অবশ্যই বাসটি এখনো দু স্টপেজ পার করে গুলশান লিংক রোড পার হতে পারেনি। যেই ভাবা সেই কাজ, শাহজাদপুর থেকে হেঁটে ভোলা দশ মিনিটের মধ্যে গুলশান এসে পৌছল, সেখানে এসেই বাসটি খুঁজে পেল। কন্ট্রাকটরকে জিজ্ঞেস করে বুঝল এটাই সেই ক্রাইম স্পট। অনেক কষ্টে ভীড় ঠেলে বাসের দরজা ধরে ঝুলে থাকার সুযোগ পেল ভোলা, পরের স্টপেজে কিছু যাত্রী নামলে সে বাসের ভেতরে ঢোকার সুযোগও পেল। উঠেই বাস থামানোর আদেশ দিল ড্রাইভারকে, এবং বিনিময়ে অন্য যাত্রীরা তাকে ঠেলে বাস থেকে নামিয়ে দিল।

ছালু মিয়া, ভোলাকে নিয়ে হেলিকপ্টার (তাঁর বিশেষ ধরনের পুরোন মোটর লাগানো বাই-সাইকেল, অবশ্যই এটি মাটিতে চলে, আকাশে নয়) নিয়ে প্রায় দুঘন্টা ধরে বাসটাকে নজর রাখলেন, কিন্তু পুরো রাস্তায় একবারও বাসটাকে খালি মনে হল না, তাই বাস থামানোর সাহসও পেলেননা। শেষে সিদ্ধান্ত নিলেন, রাতেই বাসে অভিযান চালানো হবে। ছালু মিয়া অফিসে ফিরে গেলেন, আর ভোলা শেষ পর্যন্ত বাসটাকে নজরে রাখল। এই লোকাল বাসগুলোকে রাতের বেলা রাখার জন্য কোন নির্দিষ্ট স্থান নেই, ড্রাইভাররা একেক বাস একেক জায়গায় রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখে। এ বাসটাকে রাখা হয় মতিঝিলের আশপাশে একটা স্থানে। খোঁজ জেনে ভোলা ফিরে গেল ছালু মিয়ার অফিসে।

রাত দুটোর সময়, নিঝুম রাত। ছালু মিয়া আর ভোলা মিয়া তাঁদের প্রথম দু:সাহসিক অভিযানে বের হল। ভাগ্যিস রাতের বেলা বাসের এক স্টাফ বাসটাতে থাকলেও দরজা খোলা রেখেই আজ ঘুমিয়ে পড়েছে। অন্যদিন হয়তো দরজা বন্ধ করেই ঘুমোয়, কিন্তু আজ বাসে এক যাত্রী মরেছে, তাঁর আত্না হয়তো বাসের ভেতর ঘোরাঘুরি করছে এই ভয় তার মনে হয়তো রয়ে গেছে। হয়তো চিন্তা করে রেখেছে আত্নার খচখচ শব্দ শুনলেই দম বন্ধ করে দৌড় লাগাবে। কিন্তু ঘুমিয়ে পড়ার পর সব পরিকল্পনা এখন স্বপ্নের জগতেই বিচরন করছে, সারাদিন তো আর কম পরিশ্রম করেনি, এত সহজে ঘুম ভাঙবেনা তার। ভোলাকে পাহারায় রেখে ছালু মিয়া বাসে উঠে পড়লেন, ভাল করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন সবকিছু, কিন্তু অন্ধকার ছাড়া আর কিছু চোখে পড়ল না তার। যদিও অনেক প্রস্তুতি নিয়েই অভিযানে এসেছেন, কিন্তু শুধু টর্চটাই আনা হয়নি, সত্যি বলতে টর্চ এখনো কেনাই হয়নি, কিংবা কেনার কথা মাথায়ও আসেনি। এখন কি করবেন ঠিক করতে পারছেননা গোয়েন্দা ছালু মিয়া, মাথায় কোন বুদ্ধি আসছে না। হঠাতই বুদ্ধি খুলে গেল, খটাখট ক্যামেরাটা বের করে আন্দাজ করে ফ্লাশ দিয়ে অনেক গুলো ছবি তুলে ফেললেন। তারপর সব গুছিয়ে বাস থেকে নেমেই আঁচ পেলেন, সামনে বিপদ!

রাতে বাসের ভেতর আলোর ঝলকানি দেখেই টহলরত পুলিশের বাসটির প্রতি আগ্রহ তৈরী হল, তাই এগিয়ে এসেছিল এদিকে। তারপর কালো টি-শার্ট পড়ে চোরের মত এদিক ওদিক তাকানোয় ব্যস্ত ভোলাকে খুব সহজেই কাবু করে ফেলল তারা, আর ছালু মিয়াও সহজেই ধরা দিল। নাহ, ওদেরকে থানায় নিয়ে যায়নি পুলিশ, তারচেয়ে বেশি লাভজনক কাজটাই যা সচরাচর পুলিশ করে থাকে তা-ই করল। দুয়েকটা মারধর করে, তারপর হাত বেঁধে গাড়িতে চড়িয়ে কিছুক্ষন তাদের নিয়মিত টহল চালিয়ে গেল। ছালু মিয়া অবস্থার তাৎপর্য না বুঝলেও ভোলা ঠিকই তার করনীয় ঠিক করে ফেলল, পুলিশকে খুশি করে দিয়ে ছাড়া পাওয়ার ব্যবস্থাও করে ফেলল। তবে ক্যামেরাটা গচ্চা দিতে হল, তবে পুলিশের ঐ সদস্যগুলো দয়া করে ক্যামেরার মেমোরি কার্ড টা দিয়ে দিল। গোয়েন্দার দল কোনমতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।

সকালে অফিসে এসেই ছবিগুলো প্রিন্ট করা হল, নেড়ে চেড়ে দেখা হল, কোনাকুনি করে দেখা হল, এমনকি টেবিলের নিচে আলো-আঁধারিতে নিয়ে গিয়েও দেখা হল, কিছুই বোঝা গেলনা। ছবিতে বাসের ভেতরের গায়ে স্টিকার দিয়ে লাগানো কিছু বিজ্ঞাপন, ১০০-৫০০ টাকা ভাংতি নাই বলে ঘোসনা ছাড়া ভৌতিক এমন কিছুই দেখা গেলনা যা দেখে কারো হার্ট-ফেল হবার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা রয়েছে। ভোলাকে ছালু মিয়া আজগর সাহেবের অফিসে পাঠিয়ে দিলেন। ভোলার দায়িত্ব হল আজগর সাহেবের গত কিছুদিনের মধ্যে অফিসে ঘটে যাওয়া বড় ঘটনা বা টাকা-পয়সার লেনদেন সম্বন্ধে জেনে আসা। সে দুপুরের মধ্যেই ফিরে এল কিন্তু জরুরি তেমন কোন তথ্য দিতে পারলনা। তবে জানা গেল যে, গত কিছুদিনে যদিও আজগর সাহেবের সাথে অফিসের কারো খুব উল্লেখযোগ্য কোন ঘটনা ঘটেনি, তবে অফিস থেকে তাঁকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল অফিসের ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্টের বিষয়টি দেখার জন্য। সেই সাথে আরো জানা গেল যে, অফিস থেকে তিনি প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে ওয়েব সাইটটির ডেভলপার কোম্পানিকে পেমেন্ট করেছেন তাঁর মৃত্যুর ঠিক আগের দিন বিকেলে।

এবার আজগর সাহেবের পরিবারের সাথে একান্ত আলাপ করার জন্য ভোলাকে নিয়ে সন্ধ্যায় বেরুলেন ছালু মিয়া। কিছু উপহার সামগ্রী নিয়ে উপস্থিত হলেন সেখানে। তাঁর স্ত্রীর সাথে কথা বললেন, কিন্তু তাতে তেমন কোন গুরুত্বপূর্ন তথ্য বেরুল না। তবে ওয়েব সাইট সম্পর্কিত আরেকটি তথ্য পাওয়া গেল তাঁর সন্তানের কাছ থেকে। আজগর সাহেব যেদিন মারা গেলেন সেদিন সকালে তাঁর সদ্য কম্পিউটার প্রকৌশল গ্রাজুয়েট ছেলে কে জিজ্ঞেস করেছিলেন ছেলের ভবিষ্যত ক্যারিয়ার ভাবনা সম্বন্ধে। ছেলে উত্তরে বলেছিল যে, সে চায় ওয়েব সাইট ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ করবে। শুনে তিনি খুশিই হয়েছিলেন, কেননা তার আগেরদিনই তো তিনি তাঁর অফিসিয়াল ওয়েব সাইটের জন্য আড়াই লাখ টাকা পেমেন্ট করেছেন। ছেলের পরিকল্পনাটা শুনে তাঁর ভাল মনে হল, তাঁর ছেলেও এরকম অনেক টাকা কামাই করবে, ভেবে মনে মনে খুশি হলেন, তারপর খুশিমনে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন এবং বাসে উঠে হঠাত মারা গেলেন।

ছালু মিয়া সেরাতে আর ঘুমাতে পারলেননা, বিছানায় ছটফট করতে লাগলেন। ক্যারিয়ারের প্রথম এসাইনমেন্টটাই কেমন জটিল হয়ে গেল, মনে হচ্ছে গোয়েন্দাগিরি ব্যবসায় তাঁর ভবিষ্যত খুবই খারাপ। তারপর বিছানা থেকে উঠে গত রাতে তোলা ছবিগুলো নাড়া চাড়া করতে লাগলেন। একটা ছবিতে ছোট্ট একটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়ল, আর তা দেখেই হঠাত তাঁর চোখে-মুখে আনন্দের ছাপ দেখা গেল, আবার সাথে সাথেই মিলিয়ে গেল। তবে, বাকিরাত আর মাথায় এ ব্যপারে কোন চিন্তা এলনা, ভালই ঘুম হল সকাল পর্যন্ত। পরদিন সকালে ছালু মিয়াকে খুশিমনে অফিসে ঢুকতে দেখেই ভোলা মিয়া বুঝে ফেলল যে, ওস্তাদ রহস্যের সমাধান পেয়ে গেছেন। তাই দুজনের জন্য চা নিয়ে ছালু মিয়ার টেবিলে এসে বসল ভোলা মিয়া, আর ছালু মিয়া অনেকটা ভারিক্কি চালে বলতে শুরু করলেন রহস্যের সমাধানটুকু। তবে ছালু মিয়া শুধু এইটুকু বের করতে পেরেছেন যে, কোন জিনিসটি দেখে আজগর সাহেবের হার্ট থেমে গিয়েছে, কিন্তু সে জিনিসটি দেখার পর তাঁর হৃদয়ে কি কারনে বিমর্ষতা দেখা দিয়েছিল তার দুটি কারন বের করা গেছে, কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোনটি আসল কারন তা অজানাই থেকে যাবে আজীবন।

আজগর সাহেব সেদিন বাসে চড়ে রড ধরে দাঁড়িয়ে সামনে তাকাতেই একটা বিজ্ঞাপনে তাঁর চোখ পড়েছিল। সেই বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল, “১৪০০ টাকায় ডোমেইন-হোস্টিং সহ ওয়েব ডিজাইন করা হয়”। এবং এটি দেখেই তিনি হার্টফেল করলেন। এটা দেখার পর তাঁর মাথায় দুটো বিষয় কাজ করতে পারে বলে ছালু মিয়া ধারনা করলেন, যার ফলে তিনি হৃদস্পন্দনের স্বাভাবিক গতি ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, সে দুটি বিষয় হচ্ছে:

১. গতকাল তিনি আড়াই লক্ষ টাকা দিয়েছিলে একটা ওয়েবসাইট তৈরির জন্য। তিনি যদি সেখানে এত টাকা খরচ না করে বিজ্ঞাপনে প্রদর্শিত ঠিকানায় গিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতেন তবে তাঁর দু লক্ষ আটচল্লিশ হাজার ছয়শ টাকা লাভ হত। এতবড় ক্ষতির কথা তিনি সহ্য করতে না পেরে হার্টফেল করেছেন।

অথবা,

২. তাঁর ছেলেও তো ওয়েব সাইট ডেভলপার হতে চাইছে, তাঁর ছেলেকেও যদি ১৪০০ টাকায় ওয়েবসাইট বানাতে হয় তবে তো তার ভবিষ্যত নাই। প্রতিদিন যদি ছেলে একটা করেও ওয়েবসাইট ডেলিভারী দেয়, তাহলে তাঁর কম্পিউটার প্রকৌশলী ছেলেকে প্রতিদিন মাত্র ১০০ টাকা আয় করতে হবে। একটি ওয়েবসাইটের জন্য সে পাবে ১৪০০ টাকা যার মধ্যে ডোমেইন কেনার জন্যে তাকে ১০০০ টাকা আর হোস্টিং এর জন্য ধরা যাক ৩০০ টাকা খরচ করে ফেলতে হবে। তাহলে তার ছেলের সত্যিকারের আয় হবে দিনে ১০০ টাকা। এটা তো অশিক্ষিত মাটি কাটা শ্রমিকের আয়েও অর্ধেক। এত টাকা খরচ করে যে ছেলেকে কম্পিউটার প্রকৌশলী বানানো হল, তার অন্ধকার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই হয়তো আজগর সাহেব হার্টফেল করেছেন।


আজগর সাহেবের মৃত্যুরহস্য এভাবেই চিরকালের জন্য অর্ধ-মিমাংসীত রয়ে গেল। তবে তাঁর মত এভাবে যাতে আর কাউকে মরতে না হয় তার জন্যে অতি শিঘ্রই কোন একটা ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছি।

Inspired by: Mohammad Sazzad Hossain

তবে মুনতাসীর রশীদ বিজ্ঞাপন দাতাদের প্রতি তাঁর সহানুভুতি জানিয়েছেন, এবং এই মৃত্যুর দায়ভার থেকে তাদেরকে সাধারন ক্ষমা দেবার ব্যাপারে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে একটি পত্র লিখে পানিতে ফেলে দেবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন।

Friday, August 19, 2011

My Works: in a hierarchy

I always love to make different things. At least different in the way of development. When I was in my last year of my BSC in CSE course, I had to enroll a subject named "Software Development". Most of our senior students developed some music player or other desktop applications in that course in their time. But I decided to do different. I choose PHP and MySQL to develop an accounting software which could be used by a University. I targeted my University as a subject. I named the software "University Management Software", it is a multi-user and highly privacy controlled web based database application software which allows different department of a University to manage different things which could be controlled by super-admin centrally. I figured out the departments and made different portions of my software.

Departments
  • Admission
  • Accountancy
  • Faculties
  • Admin
I made features for admission department of the University which only allows the user to add a new students. Accountancy department can register courses for every individual student and save the payments for the registered courses and faculties can give marks to the students. And the central admin can handle all these features.

I rated that application as a fifth class work of my PHP based application development. I had to give about 75 days to make that thing. It was not so secured and smart application what I can make today. But I like that thing, because it was my first successful work. I could not use that application anywhere but my teacher (Nasima Begum, Senior Lecturer, MIU, Department of CSE) appreciated me highly for that thing.

Then I started my journey of web based application development using PHP & MySQL by that work. Then I started to make a micro-blogging website (http://kolorob.info). But I released http://miu.kolorob.info as a test for my own campus. My classmates and the junior students of my varsity started to use that test micro-blog and I got a lots of appreciation for that.

Suddenly I got an invitation from a law firm to make an application by which they can easily calculate, manage and prepare income tax return and save them for further use. I needed about one month to made that application. But that thing was about 5 times complex than my first work. Later I used that application as my BSC project and I got highest marks for this work. I have upgraded that application (not graphically) and made it live online application (http://nbrtaxcalculator.com). At first it was not a multi-user application, I converted it just before uploaded it to server. It's a very good tools for the people of Bangladesh who wants to prepare their own or friends' income tax return.

DelaMyAds is my first completely commercial web application, but still it is not published finally because of financial problem. It was an joint venture project (Idea by: Muntasir Rashid, Dewan Rakib Shah, Designed by: Tarif, Arranged by: Reza and developed by: Me).

I also made a news web CMS for my very closest friends and they are going to publish that site commercially very soon after having all kinds of paper-work. It's on test transmission at All Time News.

I always love to work for making different things. After successful development of DealMyAds, I worked hard make a lots of different things which are going to be live in short time, insha-allah. I wish I can make everyone astonished by my coming works, insha-allah.

Saturday, August 13, 2011

Awakening Records, legend in Hip Hop Islamic Nasheed Industry

Did you notice the music entertainment company Awakening Records. It is working from 2000 and now it is the giant in Islamic Song industry.

I downloaded some music videos from youtube of Maher Zain, one of the singers from this recording company. Then I studied online about it. But didn't found anything much. But I can guess something.

Sami Yousuf (Iranian UK citizen), Mesut Kurtis (Turkish Singer) and Nazeel Azami (Some one from Golam Azam Family) may be studied together any university in the department of music. They started to compose and product Islamic songs and step by step they made a bigger startup and named it awakening records. (It's my guess)

There are about seven or eight singers who sings for awakening and most of them are talented composer and singer and arranger of music production. The pioneer is Sami Yousuf, Mesut Kurtis, Nazeel Azami. But they gathered some other people from different parts of the world. Irfan Makki (Pakistani Canadian), Maher Zain (Swedish Lebanese).

The story behind awakening might be different like, some people tried to make a huge islamic song industry and then he managed these singers to sign in any contract to produce only islamic song. Sami Yousuf, Maher Zain, Irfan Makki started to sing song by usual songs before starting career. They were not such a strict Islam followers in nature as they sing before this career. Now Outlandish and other European different rap and r&b singers who are from some Muslim families are joining to them in different particular songs.

I am amazed about their branding, how did they do it? Another brand is coming front in this industry named "One true Media", may be it is another name of awakening or a different company.

Wednesday, June 8, 2011

অন্য ধর্মের আনুসারীদের ইলাহ নিয়ে ঠাট্টা মশকরা এবং গালি-গালাজ করাকে আল্লাহ নিষেধ করেছেন

আমরা মুসলিম। ইসলাম আমাদের ধর্ম। পবিত্র কুরআন আমাদের ধর্মগ্রন্থ এবং এটি সরাসরি সর্বশক্তিমান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হয়েছে। মুসলিমদের জীবন যাপনের প্রতিটি অংশের উপর আল্লাহর বেছে দেওয়া পদ্ধতি রয়েছে। মুসলিম হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়। আল্লাহ তায়ালার কোন স্ত্রী নেই সন্তান নেই। অপর দিকে অন্য বেশিরভাগ ধর্মেই তাদের একাধিক ইলাহ রয়েছে। একাধিক ইলাহর ইবাদতকে আমরা শিরক বলি। অন্য অনেক ধর্মের লোকেরা তাদের ইলাহকে মূর্তি বানিয়ে ইবাদত করে। আমরা জানি, এবং বিশ্বাস করি, যেখানে মূর্তিটির নিজের উপরই নিজের কোন ক্ষমতা নেই সেখানে তার পূজারীদের উপর সে কেমন করে ক্ষমতা দেখাবে। কুরআন আমাদের কে এমন করেই শিরক থেকে বিরত থাকার কারন শিখিয়ে দিয়েছে। তবে কুরআন আরো শিক্ষা দিয়েছে যেন আমরা অন্য ধর্মের ইলাহ দের নিয়ে ঠাট্টা মশকরা কিংবা গালি-গালাজ না করি। কেননা, প্রত্যেক ধর্মের মানুষই তাদের নিজেদের ধর্ম এবং বেছে নেওয়া পথকে নিজের জন্যে শোভন মনে করে। আমরা যদি তাদের ধর্ম এবং ইলাহ নিয়ে গালি-গালাজ করি তবে, তারাও হয়ত নিজেদের শিরক থেকে আরেকটু অগ্রসর হয়ে আমাদের একমাত্র ইলাহ সর্বশক্তিমান আল্লাহকে নিয়ে গালি-গালাজ করবে। অন্যের ইলাহের প্রতি আমাদের গালি-গালাজ মূলত পরোক্ষভাবে আল্লাহকে গালি দেয়ার কারনে পরিণত হবে। এবং এ গালির জন্যে মূলত আমরা নিজেরাই দায়ী হব। তাই আমাদেরকে এহেন আচরন থেকে বিরত থাকা উচিত। কুরআনের সূরা আনআমের ১০৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন,

﴿وَلَا تَسُبُّوا الَّذِينَ يَدْعُونَ مِن دُونِ اللَّهِ فَيَسُبُّوا اللَّهَ عَدْوًا بِغَيْرِ عِلْمٍ ۗ كَذَٰلِكَ زَيَّنَّا لِكُلِّ أُمَّةٍ عَمَلَهُمْ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّهِم مَّرْجِعُهُمْ فَيُنَبِّئُهُم بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ﴾
অর্থ: আর ( হে ঈমানদারগণ!) এরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে ডাকে তোমরা তাদেরকে গালি দিয়ো না৷ কেননা, এরা শিরক থেকে আরো খানিকটা অগ্রসর হয়ে অজ্ঞতাবশত যেন আল্লাহকে গালি দিয়ে না বসে৷ তো এভাবে প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর জন্য তাদের কার্যক্রমকে সুশোভন করে দিয়েছি৷ তারপর তাদের ফিরে আসতে হবে তাদের রবের দিকে৷ তখন তিনি তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে তাদেরকে জানিয়ে দেবেন৷

Monday, May 30, 2011

অন্যের ব্যাক্তিগত ভুলগুলো ধরিয়ে দিন

একজন মুমিন আরেকজন মুমিনের আয়নাস্বরুপ। আমাদের উচিত একজন অপরজনের ব্যাক্তিগত ভুল-ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেয়া। তবে এই ভুল ধরিয়ে দিতে গেলে দুটি ভিন্ন ঘটনার সম্মুখীন হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রথমত, ভুল ধরিয়ে দেয়ার পর আপনি যার ভুল ধরিয়ে দিলেন তিনি খুশি হতে পারেন, এবং নিজেকে সংশোধন করে নিতে পারেন।

দ্বিতীয়ত, ভুল ধরিয়ে দেয়ায় তিনি রাগ করতে পারেন। রাগটুকু সাময়িকও হতে পারে আবার দীর্ঘ সম্পর্কের ইতি টানার পরিস্থিতিতেও পৌছে দিতে পারে।

দ্বিতীয় ঘটনা ঘটার ভয়ে আপনি যদি আপনার পরিচিত মানুষটির ভুল ধরিয়ে না দেন তবে আপনি তার উপর জুলুম করলেন। কারন মুমিন হিসেবে এটি আপনার দায়িত্ব। আপনি যদি তা না করেন তবে আপনার পরিচিত মানুষটির ভুলটুকু সংশোধনের সম্ভাবনাটি নষ্ট হল কিংবা দীর্ঘায়িত হল। এটা আপনার জন্য অনুচিত। আবার তার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখাটাও আপনার জন্য জরুরী। সেক্ষেত্রে কিছু সাবধানত অবলম্বন করলেই আপনি আপনার পরিচিত মানুষটার একটা ব্যাক্তিগত ত্রুটি তার সাথে সম্পর্কের তরংগের কোন ছন্দপতন না ঘটিয়েই দুর করে দিতে পারেন। নিচে এব্যাপারে কয়েকটা সাবধানতা উল্লেখ করলাম, হয়তা কাজে আসতে পারে।

১. সবার সামনে অথবা তৃতীয় কোন ব্যক্তির সামনে তার ত্রুটিটুকু উপস্থাপন করা থেকে বিরত থাকুন। কেননা এতে তিনি অপমান বোধ করতে পারেন। সবার কিংবা অন্য কোন ব্যক্তির সামনে সামান্য কোন ত্রুটিও যদি প্রকাশ করা হয়, তা মূলত তাকে অপমান করার সামিল বা এটাই কোন মানুষকে অপমান করার সবচে পুরোনো পদ্ধতি। তাই, কারো ত্রুটিটুকু সম্বন্ধে অবগত করতে গেলে সেটি যত ছোটই হোক না কেন নিভৃতে জানানোর চেষ্টা করুন।

২. ত্রুটিটুকু যদি তার কথার মাঝখানে ধরা পড়ে তবে সেই কথার মাঝখানেই দ্রুত ত্রুটিটুকু ধরিয়ে দেয়াটা ভুল পদ্ধতি। বরং তার কথা শেষ হওয়ার পর তাকে বুঝিয়ে বলুন।

৩. আর সরাসরি ত্রুটির ব্যাপারে আলাপ শুরু না করে, বরং প্রসংগ টেনে আস্তে আস্তে বুঝিয়ে বলুন।

৪. কাউকে তার ত্রুটি সম্বন্ধে জানানোর সময যতটা সম্ভব উক্ত ত্রুটি নিয়ে তার সামনে সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। শুধু ছোট্ট কোন উদাহরন বা ত্রুটিটুকুর ফলাফলটুকু অবশ্যই যথেষ্ট বিনয় বজায় রেখে জানানোর চেষ্টা করুন। বিনয় মুসলিমের একটি বৈশিষ্ট্য আর তার বিপরীতটুকু কাফের কিংবা মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য।

পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষই সম্মানিত, সে আপনার শিক্ষক হোক বা আপনার বাসার কাজের ছেলেই হোক না কেন। আর সবাইই একে অপরের উপর কোন না কোনভাবে নির্ভরশীল। মনে রাখবেন আপনি ততই বড় সম্মানিত ব্যাক্তি যতখানি আপনি অন্যকে সম্মান করেন। অনেকটা বলা চলে মানুষ বিনয়ী হয় তার আত্নসম্মানবোধ থেকে। দায়িত্ববোধ আর আত্নসম্মানবোধের মিলিত বৈশিষ্ট্যপূর্ন মানুষই কেবল পারে আমাদের সমাজকে আরো সুন্দর করে গড়ে তুলতে। আসুন একে অপরের ভুল-ত্রুটিগুলো দুর করে ত্রুটিমুক্ত সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।

Saturday, May 28, 2011

অচীন দেশের চেনা মানুষ

সাধারন মানুষ তার ভাল লাগা, মন্দ লাগা, ত্রুটি-বিচ্যুতি গুলো ঢেকে রাখতে পারেনা। সহজেই তাদের বোঝা যায়। আর কুটিল মানুষগুলো ঠিকই নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারে। সে অন্যদের বুঝতে পারে, তাই তাদের ভাল লাগাকে কাজে লাগায় আর মন্দ লাগা গুলো থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখে সুবিধা আদায় করে নেয়। এটা অনেকটাই অভিনয়। বাড়তি বিনয় এই কুটিলতার লক্ষন। বিনয়ী লোকদের কাছ থেকে সাবধানে থাকা উচিত।

সাধারন মানুষের মনে অভিযোগ অনেক, তারা তাদের সব অপছন্দগুলোই অভিযোগ কিংবা রাগ ঝেড়ে প্রকাশ করে। কিন্তু কিছু লোকজনকে খেয়াল করলে দেখা যাবে, কিছুতেই এরা রাগে না। বরং যে যেমন ঠিক তার সাথে তেমন করে আচরন করার চেষ্টা করে। অভিযোগ প্রকাশ করেনা। এরা সত্যিই অনেক জটিল প্রকৃতির মানুষ। শত্রুকে যখন চেনা যায় তখন তার কাছ থেকে দুরে থাকা সহজ হয়, আবার বন্ধুকে যখন চেনা যায় তার কাছ থেকে বন্ধুত্বের দাবীগুলো আদায় করে নেয়া যায়। কিন্তু আলোচিত কুটিল লোক বন্ধু না শত্রু কিছুই বোঝা যায় না। অনেকটা ক্যামোফ্ল্যাজ নিয়ে এগোয়। তারা সহজেই অন্যকে ঘায়েল করতে পারে।

এদেরকে নিজেদের প্রয়োজনেই কুটিল হতে হয়। এদের বেশিরভাগই নিম্ন মধ্যবিত্ত সমাজের বাসিন্দা, সামাজিক স্তর বিন্যাসে এমন একটা অবস্থানে তাদের বাস যেখানে সম্মান হারানোর ভয় আছে আবার সত্যিকার অর্থে তাদের কোন সম্মানও নেই। একটা ভয়ংকর রুদ্ধ সামাজিক অবস্থানে থেকে টিকে থাকার চেষ্টাতে তারা ধীরে ধীরে এমনটি হয়ে যায়। তারা টিকে থাকতে চায়।

নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেনীটি এমন যে, তা নিম্নবিত্তের মত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত নয়, আবার মধ্যবিত্তের মত সামাজিক স্বিকৃতীও তাদের নেই। তাদের কোন বন্ধু থাকেনা, থাকলেও সবচেয়ে পরিশ্রমী এই সামাজিক শ্রেনীটি তাদের বন্ধুত্ব সমাজের অন্য শ্রেনীর মত বন্ধুত্বের রূপ দিতে পারেনা।

আমি জানি আমি এ ধরনেরই একজন কুটিল মানুষ। আমার কাছ থেকে সবাইকে সাবধান থাকার জন্য অনুরোধ করছি। আমি জানি আমি কারো বন্ধু হবার যোগ্যতা রাখিনা। তাই আমার জানামতে আমার কোন বন্ধু নেই। আমি সত্যিই একজন কুটিল মানুষ, যারা আমাকে বন্ধু হিসেবে ভালবাসে, আমি জানি তারা বোকার স্বর্গে আছে। আমি যেটা জানি তা হচ্ছে আমাকে টিকে থাকতে হবে এই পৃথিবীতে। তাই নিজের ভাল লাগা আর মন্দ লাগা গুলোকে লুকিয়ে রাখি। বরং অন্যের ভাললাগাকে নিজের ভাললাগা বলে উপস্থাপন করি, মন্দ যেন কিছুতেই লাগেনা। শুনে মনে হবে যেন এ অবারিত উদারতা, কিন্তু না, সত্যি হচ্ছে আমার ভাল লাগাগুলো সাধারন রূচির এত নিচে তা উর্দ্ধতন শ্রেনীর মানুষের কাছে বিরক্তিকর আর কুরূচীপূর্ন। তাই সবগুলো সুযোগকে হাতে রেখে লড়াই করছি।

Wednesday, May 18, 2011

রাগী মানুষ রাগী কেন?

“মালীটা ভীষন পাজী। বাগানে ঢুকতে তো দেয়ই না, যখন পাশ দিয়ে হেঁটে যাই তখনো কেমন খাঁকিয়ে ওঠে।“ এমনই ভাবতে ভাবতে ভোলা মিয়ার বাগানটার দিকে তাকাচ্ছিল আর বাগানের আধপাকা আমগুলোর দিকে তাকিয়ে জীভের জলটুকু গিলে নিল আশিক। স্কুল থেকে ফেরার পথে সে প্রতিদিনই রাস্তায় না এসে ক্ষেতের আল দিয়ে বাড়ি ফিরে সময় বাচানোর চেষ্টা করে। এ পথে এসে সময় বাচুক আর না বাচুক, এ পথে এলে বাগানের মালীটাকে চোখে না পড়লেই আশিক আর তার বন্ধুরা টুপ করে ঢুকে পড়তে পারে বাগানে। মাঝে মাঝে মালীটার চোখ এড়িয়ে দুএকটা পড়ে থাকা আম ব্যাগেও ভরে নেয় সে।

রহমত, ভোলা মিয়ার বাগানের মালী, প্রচন্ড রাগী আর সজাগ। বাগানের আশপাশ দিয়ে কাউকে যেতে দেয়না। সারাদিন আর রাত বাগানেই থাকে সে। এমনকি ভোলা মিয়ার ছেলেমেয়ে আর বউও বাগানে ঢুকতে ভয় পায়, চোর বলে তাড়িয়ে না আবার কোন বিতিকিচ্ছিরি কাহিনী ঘটায়, পাছে ইজ্জত ঐ আম গাছের উপর উঠে যায়। তার চেয়ে ভাল আম কিংবা ফল খাওয়ার সময়-অসময়ের ইচ্ছেগুলো দমিয়ে রাখাটা শ্রেয় মনে করে তারা। তবে ভোলা মিয়া তার পরিবারের জন্য ফল-ফলাদি রহমতকে দিয়ে পাড়িয়ে বাড়িতে এনে রাখে। আর মাঝে মধ্যে পাড়ার মুরুব্বী আর বন্ধু-বান্ধবকেও বিশাল বাগানে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে গিয়ে আয়েশ করিয়ে বিভিন্ন ফল খাইয়ে দেয়। আর বিদায়ের সময় আবার আসার এবং ভোলা মিয়ার অবর্তমানে প্রয়োজন হলে যাতে রহমতের কাছ থেকে বাগানের ফল পাড়িয়ে নিয়ে যায় সে কথা মনে করিয়ে দেয়। সত্যিই ভোলা খুবই ভাল মানুষ। কিন্তু ভোলা যতই ভাল হোক রহমত মালীকে বলে ফল পাড়িয়ে নেবে এটা ভোলার বন্ধু-বান্ধব কিংবা পাড়ার মুরুব্বী স্বপ্নের মধ্যে ভেবেও আঁতকে উঠে। এটা প্রচন্ড অসম্ভব কাজ, রহমতের কাছে তারা ফল চাইবে কি, বাগানের আশপাশ দিয়ে কেউ গেলেই তাকে চোরের মত তাঁড়িয়ে দেয় রহমত।

উপরের ছোট্ট গল্পে রহমত নামের একজন মালীকে পাওয়া গেল যিনি প্রচন্ড রাগী। তিনি কেন রাগী? তিনি রাগী কেননা তিনি সময়ে অসময়ে ভোলা মিয়ার বন্ধু-বান্ধব, পাড়ার মুরুব্বী কিংবা বউ-ছেলেমেয়ের জন্য ফাই-ফরমাশ খাটতে আগ্রহী নন। আর এ থেকে বেচে থাকতেই তার রাগী হওয়া, বাগান দেখাশোনার খাতিরেই তার সজাগ থাকতে হয়, আর তার সাথে কিছুদিন রাগ দেখালেই বেশ কিছু দায়িত্ব থেকে বেচে যাওয়া যায় দেখে সে সেই পন্থা অবলম্বন করলেন। এ থেকে বোঝা যায়, আসলে রাগী মানুষ তার দায়িত্ব থেকে বেচে যাওয়ার জন্যে রাগী স্বভাবটা জিইয়ে রাখে। যেমন রাগী পিতা তার সন্তানের অবারিত স্নেহ পাবার অধিকারকে হরণ করার জন্যে তার সামনে রাগী হিসেবে আবির্ভূত হয়, যাতে সন্তানের সব দাবী পূরন করতে না হয়, কিংবা সন্তানকে বেশি সময় দিতে না হয়। যেসব শিক্ষক বা শিক্ষিকা তার ছাত্র-ছাত্রীকে পড়া বুঝিয়ে দিতে পারেনা, কিংবা তাদের প্রশ্নের জবাব সঠিকভাবে দিতে পারেনা, তাদেরকেই আমরা প্রচন্ড রাগী শিক্ষক বলে চিনি। মানুষের সম্পদ কেড়ে নেবার জন্যেই সরকারী আমলা আর ডাকাত কিংবা সন্ত্রাসীরা প্রচন্ড রাগী হয়। রাগী মনিব তার কর্মচারীকে ঠকানোর জন্যে রাগী স্বভাব ধরে রাখে আর নিজের সকল অপারগতা কে লুকিয়ে রাখার জন্যেই কর্মচারীকে প্রচন্ড রাগ দেখিয়ে সব কাজ আদায় করার চেষ্টা করে।

আরেকটা ছোট্ট উদাহরন দিয়ে শেষ করি। মি. রফিক তার অফিসের কেয়ারটেকারকে সামান্য একটু কাগজের টুকরা মেঝেতে পড়ে থাকার অপরাধেও প্রচন্ড বকাবকি করেন। এর কারন হচ্ছে, তিনি আসলে প্রচন্ড অগোছালো আর ময়লা একজন মানুষ। তিনি তাঁর ঘরের বিছানাও ঝাড়ার মানসিকতা রাখেননা, সামান্য ধুলাও তিনি ঝাড়তে পারেনা, এমনকি অফিসের মেঝেতে তাঁর হাত থেকে পড়া ছোট্ট কাগজের টুকরাও একটু সরিয়ে রাখতে তার পছন্দ নয়। সেই না পারাকে ঢাকতে, পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করার ব্যাপারে সামান্য অবদানও যাতে তাঁর রাখতে না হয় সেজন্যে তিনি একজন রাগী মানুষ।


Monday, April 11, 2011

HTACCESS CODING

Few days ago I have found one of my drawbacks of my PHP coding. My web programs fails about 40% of SEO friendliness because of dynamic urls of products like "kolorob.info/index.php?id=45". I got realized that I have to use more SEO friendly url structure like "kolorob.info/page/2". I could not find any way to make this. I searched google and asked my friends, but couldn't get any information. A week ago, I was continuing that discussion with Muntasir Rashid at our intro6's temporary tent and Tarif Hossain joined there and gave me the legendary information about .htaccess. He said that I can solve this problem by this. And at last I have solved the problem.

Now I am going to discuss about this problem.

Problem: Redirect a unknown url address to a known url address.

Description of the Problem: When one write an address in the browser's address bar it shows some information from the file belongs in that address. like when I write in address bar "http://kolorob.info/kolorob/" or "http://kolorob.info/kolorob/index.php" it can show the specific page because this page is physically or dynamically exists. But when I write "http://kolorob.info/kolorob/post/26" browser starts to find a folder named "26" from another parent folder "post". But these folders are not exist physically or dynamically. If I want to show the 26th post to browser I need to get the information from the url to any of my existing page. I need the type of material ("post") and the number of that type of material to show the user.

Solution:
Need to add the following line to the .htaccess file of the folder where the project is situated.

RewriteEngine on

RewriteRule ^(./*)$ index.php [QSA,L]

The code shown above will help the url like ("http://kolorob.info/kolorob/post/26") to be redirected to "http://kolorob.info/kolorob/index.php" and it will bring the asked url by a global variable $_SERVER['REQUEST_URI']. Now one can easily get the whole url that was requested by user in "index.php". This url could be broken into pieces with the explode function of PHP using delimiter ("/"). Then the pieces are found "post", and "26". Index.php can easily recognize the type of material ("post") to be shown and the number of that type of material (26th post).


Thursday, February 17, 2011

HOW I STARTED MY PROGRAMMING CAREER

I was so excited about my classes of B.Sc in CSE when I was a fresher. I was so scared about my ability also. I was so tensed about study and result. I could not believe that I will do better because I was never a good student but an average one. I took only 4 courses including "Structure Programming" in my first semester.

I was so happy and interested about programming. In structured programming course, our instructor taught us the language "C". From the beginning of the class I kept myself attentive at class. I learnt some basic syntax of C and practiced in my desktop at lab in my first class. When the first output came successfully I started to become confident about programming.

I was always attentive in my programming classes (No class-time sleep). Most of the time when I had no work I kept myself practicing "C" in home. I practiced most of examples from my reference books and solved self made problems. Still I am passing most of my times doing programming. Now, I am an PHP developer. I always give emphasis to code with simple syntax to solve critical problem. Google always helps me to find essential information for my Coding. Love you "Google".

Monday, January 31, 2011

Studying CSE, Was that my destiny?

I got admitted into a new high school at 1999. There I met some new friends. As, I was an introvert type human I couldn’t be introduced with them so fast. But, I tried with different approaches to know people. One day, at the launch hour of the school, I tried to speak with a new friend. His name was Limon, he was a son of one of our teachers. I approached him like a young journalist and asked him some questions. I asked him some personal information and hobbies and future plans. He answered me with interest. He told me that he wants to be a programmer. The word “Programmer” changed my all of aims

I heard about the profession known as programmer from science fiction movies or stories and some IT related English journal. I thought being a programmer is too tough job for anybody like me. But I became motivated from the interview of Limon. I made my aim to be a programmer from that day. I passed my secondary and higher secondary education in science with medium type result and then I got admitted to MIU (Manarat Internation University) in CSE department. This January, I have completed my B.Sc in CSE from this university with the best performance result

Wednesday, January 19, 2011

Be "The Leader"

Leader is he who has the clear concept and strong determination. Leader has the responsibility to cheer up workers for their works to do and say "well done" for everything that is done by him for the sake of the goal. Be a leader.... Think like leader, hey leader! you don't need to have the designation of "Leader" to lead.

Wednesday, January 5, 2011

Similarities and Differences between Christianity and Islam

Objective

There are more than thousand religions exist all around the world. From all these Christianity is the largest religion based on believers and Islam comes second after this. There are lots of similarities between Christianity along with some unavoidable differences. As Qur’anic scriptures, Christianity and Islam came from the same source but Christianity, the older one of them decayed from it’s fundamental rules and regulations day by day which is about to be same to Islam. The holy Qur’an is the only scripture came directly from the creator of the universe remains unchanged. The objective of this paper is to show some similarities and differences between Christianity and Islam briefly.


Introduction

Christianity: Christianity, stemming out of Judaism and developing primarily in the West, has become the largest religion of the world even though, except for Islam, it is the youngest major world religion. Approximately one in every three persons on earth is identified with Christianity.

Islam: Islam is the youngest of the major religions of the world. It is the dominant religion of the third-world nations of the Middle East and Africa and the second largest of the world's religions with 589,143,400 followers. Muslim philosophy is a blend of Arabic, Jewish, and Christian elements and one of the simplest and least complicated of the world's religions.

Christians maintain, on the contrary, that prophecy continued and that the writings that eventually became the New Testament were also divinely inspired. But since Muslims maintain and believe that Muhammad is also the last prophet, the revelations communicated through him supersede, even as they mark the culmination of all earlier SCRIPTURES. The authority of both, Jewish and Christian scriptures is subordinated to the content of Muslim revelation, and the former serve as a theological, not merely a chronological, preamble to Islam.

· that the injil [Arabic for 'Bible'] like the Qur'an, was a real Scripture -- the original Word of God, sent down from the heavens and transmitted to the human Messenger (Prophet) Jesus on earth, through the medium of the celestial messenger (the angel Gabriel), as the highest form of infallible divine inspiration called wahy in Arabic. Christians have lost their injil, whereas Muslims have managed to meticulously preserve every word of their Qur'an in its original purity.

· that not only the Prophet Muhammad's p.b.u.h. own words, sayings or utterances, as distinct from God's Words (the Qur'an) but also a record of his actions and tacit approvals, have all been separately preserved. They are known as Hadith, Traditions, or Sunnah. Muslim scholars maintain that The New Testament, which contains the writings of the disciples of Jesus are really more like the Hadith of the Prophet Muhammad, p.b.u.h., whereas the injil, which has been lost, was like the Qur'an.

Similarities & Dissimilarities

Similarities in Prayer

Islam: The Fateha [The Opening]

The Qur'an 1:1-7

Praise be to God, Lord of the Worlds, the Compassionate, the Merciful. King of the Day of Reckoning. Thee only do we worship and of Thee only do we ask aid. Guide us unto the right path -
the path of those to whom Thou hast been gracious, not the path of those who are the objects of Thy wrath, nor of those who have gone astray. Amen

Christianity: The Lord's Prayer

Matthew 6:9-13
[The New Testament, King James version]

Our Father who art in heaven, Hallowed be thy name. Thy Kingdom come. Thy Will be done on earth as it is in heaven.nGive us this day our daily bread. And forgive us our debts as we forgive our debtors [Other translations say: "Forgive us our trespasses as we forgive those who trespass against us."] And lead us not into temptation, But deliver us from evil. For Thine is the Kingdom, The Power and the Glory. For ever and ever. Amen

If we carefully compare the parts of each prayer which are written above as separate paragraphs (a) (b) and (c), we will observe that there are differences only in language, yet there are no differences whatsoever in meaning. There is in both prayers absolutely the same spirit of (a) Adoration (b) Submission and (c) Supplication.

Similar prayers of Islam and Christianity:

  1. Prayer is a means of communicating with God; God hears prayers and sometimes grants requests.
  2. In Islam Special congregational service of worship (salat) once per week on Friday, in a mosque, is an obligation (in addition to five times a day obligatory service of worship (salat) - also preferably in congregation.) and for christianity Congregational worship at church once per week on Sunday is an obligation.
  3. Charity and relieving the suffering of others carries spiritual rewards.
  4. Certain standard prayers exist.
  5. Fasting and similar ascetic practises for religious purposes carries spiritual rewards.
  6. Pilgrimage (hajj) is obligatory.
  7. Muslims celebrate the advent and birth of the Prophet Muhammad (p.b.u.h.) on the 12th Rabi Awwal (Islamic calendar date) and Christians celebrate the advent and birth of Jesus Christ, Dec. 25. This is known as Christmas.

Similarities in About Creation

Islam

Qur'an 35:13 :- He merges Night into Day, and he merges Day into Night, and he has subjected the sun and the moon (to his Law): each one runs its course for a term appointed. Such is Allah your Lord: to Him belongs all Dominion. And those whom ye invoke besides Him have not the least power.

Qur'an 13:2 :- Allah is He Who raised the heavens without any pillars that ye can see is firmly established on the throne (of authority). He has subjected the sun and the moon (to his Law)! Each one runs (its course) for a term appointed. He doth regulate all affairs, explaining the signs in detail, that ye may believe with certainty in the meeting with your Lord.

Qur'an 13:3,4 :- And it is He who spread out the earth, and set thereon mountains standing firm and (flowing) rivers: and fruit of every kind He made in pairs, two and two: He draweth the night as a veil o'er the Day. Behold, verily in these things there are signs for those who consider! And in the earth are tracts (diverse though) neighbouring, and gardens of vines and fields sown with corn, and palm trees - growing out of single roots or otherwise: watered with the same water, yet some of them We make more excellent than others to eat. Behold, verily in these things there are signs for those who understand!

Qur'an 41:37:- Among His Signs are the Night and the Day, and the Sun and the Moon. Do not prostrate to the sun and the moon, but prostrate to Allah, Who created them, if it is Him ye wish to serve.

Qur'an 41:12:- So He completed them as seven firmaments in two Days, and He assigned to each heaven its duty and command. And We adorned the lower heaven with lights, and (provided it) with guard. Such is the Decree of (Him) the Exalted in Might, Full of Knowledge.

Qur'an 50:38:- We created the heavens and the earth and all between them in Six Days, nor did any sense of weariness touch Us.

Qur'an 15:28,29:- Behold! thy Lord said to the angels: "I am about to create man from sounding clay from mud molded
into shape; when I have fashioned him (in due proportion) and breathed into him of My spirit fall ye down in obeisance unto him.

Christianity

Genesis 1:14:- Then God said, "Let there be lights in the expanse of the heavens to separate the day from the night,
and let them be for signs and for seasons and for days and years;

Genesis 1:1,2:- In the beginning God created the heavens and the earth. The earth was formless and void, and darkness was over the surface of the deep, and the Spirit of God was moving over the surface of the waters.

Genesis 1:9-12:- Then God said, "Let the waters below the heavens be gathered into one place, and let the dry land appear''; and it was so. God called the dry land earth, and the gathering of the waters He called seas; and God saw that it was good. Then God said, "Let the earth sprout vegetation: plants yielding seed, and fruit trees on the earth bearing fruit after their kind with seed in them''; and it was so. The earth brought forth vegetation, plants yielding seed after their kind, and trees bearing fruit with seed in them, after] their kind; and God saw that it was good.

Genesis 1:3-5:- Then God said, "Let there be light''; and there was light. God saw that the light was good; and God separated the light from the darkness. God called the light day, and the darkness He called night. And there was evening and there was morning, one day.

Genesis 1:14-18:- Then God said, "Let there be lights in the expanse of the heavens to separate the day from the night, and let them be for signs and for seasons and for days and years; and let them be for lights in the expanse of the heavens to give light on the earth''; and it was so. God made the two great lights, the greater light to govern the day, and the lesser light to govern the night; He made the stars also. God placed them in the expanse of the heavens to give light on the earth,
and to govern the day and the night, and to separate the light from the darkness; and God saw that it was good.

Genesis 2:1-3:- Thus the heavens and the earth were completed, and all their hosts. By the seventh day God completed His work which He had done, and He rested on the seventh day from all His work which He had done. Then God blessed the seventh day and sanctified it, because in it He rested from all His work which God had created and made.

Genesis 2:7:- Then the Lord God formed man of dust from the ground, and breathed into his nostrils the breath of life; and man became a living being.

Similarities in Prohibiting Marriage

Islam

Qur'an 4:22-24

4:22 And marry not women whom your fathers
married, except what is past: It was shameful and odious, an abominable custom indeed.
4:23 Prohibited to you (for marriage) are: your
mothers, daughters, sisters;
father's sisters, mother's sisters;
brother's daughters, sister's daughters; foster-mothers (who gave you suck);
foster-sisters;
your wives' mothers;
your step-daughters under your guardianship, born of your wives to whom ye have gone in, no prohibition if ye have not gone in;
(those who have been) wives of your sons proceeding from your loins;
and two sisters in wedlock at one and the same time, except for what is past;
for God is Oft-forgiving, Most Merciful;
4:24 Also (prohibited are) women already married, except those whom your right hands possess. Thus hath God ordained (prohibitions) against you. Except for these, all others are
lawful . . . and God is All-knowing, All-wise.

Christianity

Leviticus 18:6-18

6 No one is to approach any close relative to have sexual relations. I am the Lord.
7 Do not dishonour your father by having sexual relations with your mother. She is your mother; do not have relations with her.
8 Do not have sexual relations with your father's wife; that would dishonour your father.
9 Do not have sexual relations with your sister, either your father's daughter or your mother's daughter, whether she was born in the same home or elsewhere.
10 Do not have sexual relations with your son's daughter or your daughter's daughter; that would dishonour you.
11 Do not have sexual relations with the daughter of your father's wife, born to your father; she is your sister.
12 Do not have sexual relations with your father's sister; she is your father's close relative.
13 Do not have sexual relations with your mother's sister, because she is your mother's close relative.
14 Do not dishonour your father's brother by approaching his wife to have sexual relations; she is your aunt.
15 Do not have sexual relations with your daughter-in-law. She is your son's wife; do not have relations with her.
16 Do not have sexual relations with your brother's wife; that would dishonour your brother.
17 Do not have sexual relations with both a woman and her daughter. Do not have sexual relations with either her son's daughter or her daughter's daughter; they are her close relatives. That is wickedness.
18 Do not take your wife's sister as a rival wife and have sexual relations with her while your wife is living.

Basic Concept:

Similar to Islam & Christianity:

  1. Monotheistic -- God (Allah) is recognized as the Creator.
  2. God is omnipotent, omniscient, immanent within His creation yet transcendent.
  3. God has a unique relationship with humans (master and servant).
  4. God makes agreements or Covenants with humans.
  5. Have similar eschatology (pertaining to the last days or the end of the world) -- this world will come to an end someday and no-one knows when.
  6. A figure referred to as Satan or Antichrist (dajjal) (a figure of evil) will be defeated at the end of the world.
  7. After the world has ended, God will judge humans, based on their actions in compliance with a moral code, specified in the Covenant which God makes with us.
  8. This judgement will determine one's eternal abode, heaven or hell (bliss or punishment).
  9. Human beings have a spirit (ruh) which is eternal, continuing its existence after our physical death. As to its origin, the Qur'an says, "When I [God] have fashioned him [Adam] (in due proportions) and breathed into him of My spirit . . ." [Qur'an 15:29]
  10. Humans have the ability (free will) to choose between good and evil (obeying or disobeying God, complying with the moral code of the Covenant or transgressing).
  11. Angels exist who are the servants, and sometimes messengers of God.
  12. Satan (shaitan) exists, as well as evil spirits who follow him; they are the enemies of humanity.
  13. Divinely revealed scriptures exist which are the primary source of religious knowledge. The Qur'an was revealed to Muhammad and it is the final scripture given to man.
  14. Miracles occur on occasion.
  15. If a person errs or transgresses, God may forgive them, if they sincerely repent.
  16. Prophets brought spiritual instruction.
  17. There are similarities between the Quranic and biblical version of many stories, such as Adam and Eve, Moses and the children of Israel, etc.
  18. At the time of the end of the world, Jesus ChristHYPERLINK "http://muslim-canada.org/jesus.html" willHYPERLINK "http://muslim-canada.org/jesus.html" come again.
  19. Jesus Christ was born to the virgin named Mary.

Differences between Islam & Christianity

  1. Islam prohibits to believe in the trinity but Christians believe in the trinity (Father, Son, and Holy Spirit).
  2. God has informed us of only 99 of His beautiful names (Attributes). Many of them depict His beautiful aspects (jamal), and some of them depict His power, authority and grandeur (jalal). Christians currently emphasize the beautiful aspects of God (i.e. God is Love)
  3. Jesus is a Prophet and a servant of God. Muhammad is also a Prophet and a servant of God. He was the last Prophet sent by God to guide and teach mankind. But Christianity says that as a member of the Trinity, Jesus is viewed as God Himself.
  4. The Quranic teachings in this regard may be summed up as follows: (1) Christ was neither crucified nor killed by the Jews, notwithstanding certain apparent circumstances which produced that illusion in the minds of some of the enemies; and (2) Jesus was taken up to God (i.e.. God raised him up (raf'a) to Himself.) [Qur'an 4:157, 158 & 3:55 & 4:157] but Christians believe that Jesus was crucified on a cross. Christians also believe Christians believe Jesus was resurrected (raised from the dead) three days after being crucified on a cross (Good Friday to Easter Sunday are the days when Christians remember and celebrate this.) Jesus' crucifixion they believe, redeems Christians of their sins.
  5. As Islamic teachings Eschatology - Judgement will occur on Judgement Day (the end of the world when God will judge all human beings beginning from Adam and Eve). Persons who have been previously deceased, and are in their graves, are given an indication (via 'windows' in the grave) of what his or her future Judgement may be. The punishment of the grave will begin immediately. Rewards begin immediately too. (This intermediate stage of the grave may be regarded as similar to the Catholic Purgatory, and is called barzakh in Islam). The final abode of either Paradise or Hell will be pronounced on the Day of Judgement. But from the Christians’ belief Eschatology - most Christians believe that judgement takes place, immediately upon death (i.e. they will either go to Heaven or Hell, or as in the case of Catholics, they could also go to Purgatory immediately upon death). Christians also believe that the final Judgement Day is only for all those people who have not died yet and will be for those remaining on earth.
  6. Islam says that Hell is a place of purification, and is permanent. Paradise as a reward, and Hell as a punishment are but graphic terms to make us understand a state of things which is beyond all our notions of life in that world. Paradise will be eternal. Once meriting it, there can be no question of being ejected from it. As to whether Hell is also eternal for the unbelievers, there are two schools of thought: (1) A great majority of Muslims affirm that God may pardon every sin and every crime except disbelief in God. [Qur'an 4:48,116] (2) Others believe that even the punishment of disbelief may one day terminate by the grace of God. [Qur'an 11:107, etc.] The Qur'an 4:124 declares: "If any do deeds of righteousness - be they male or female - and have faith, they will enter Paradise and not the least injustice will be done to them." In other words no religion has a monopoly on salvation! But Christianity says, Hell is eternal, but Purgatory is not (note: Catholics believe in Purgatory whereas Protestants do not). While Catholics believe that Purgatory is precisely the same as Hell, it is not eternal. They believe it is a place or state of punishment wherein the souls of those who die in God's grace may do penance for past sins and hence become cleansed and fit for heaven. Only Christians can go to heaven.
  7. Muslims do not believe in vicarious atonement. They believe that each person is responsible for his or her own actions and that no-one else can atone for them. However, you can pray to God for His Mercy and Forgiveness on behalf of another person. The Prophet Muhammad, p.b.u.h. -- and some others (like innocent babies who have passed away) are given the special privilege to intercede on behalf of their parents on the Day of Judgement. This is in accord with the Throne Verse in the Qur'an. So with God's graceful permission, they may have a specially bestowed privilege of pleading on behalf of others and begging for God's forgiveness for them on the Day of Judgement. This is known as intercession (shafa't). But Christians believe in vicarious atonement -- that another person can extinguish the guilt incurred by another person's sins. Jesus is believed to have died so as to atone vicariously for man's sins. He was considered to be the Lamb of God, which means that Jesus was considered to be the perfect sacrifice by which the hold of Original Sin was broken. Christians believe in intercession and intercessors such as priests and monks.
  8. Islam says that all mankind is born pure and he/she is responsible for his or her own sins and not someone else's. But Christians believe in Original Sin, (all of mankind is held responsible for the sins of Adam and Eve) which only the sacrament of baptism in the name of Christ can expiate.
  9. The holy Qur'an was revealed ('revelation' [wahi] is the highest form of inspiration with no possibility of error in the message or the conveyance of the message) to the Prophet Muhammad, p.b.u.h. through the angel Gabriel who was carrying out God's precise instructions. This occurred over a period of 23 years. The holy Qur'an is God's Word -- not the word of the Prophet Muhammad, p.b.u.h. Christians believe that divine inspiration (the Latin word is 'afflatus' which means 'divine wind') inspired the writers of the scripture. Hence they believe that the Gospel of St. Mark (obviously written by St. Mark) or the letters of Paul the Apostle are the "Word of God."
  10. The Qur'an exists today exactly the same as it was revealed to Muhammad, p.b.u.h. There have been absolutely no changes whatsoever made to the wording. Special checks and balances and special means for the preservation of accuracy (.e.g. memorizing of the text by many people, etc. etc.) were put into place so that no error or change could possibly creep into the text. A council was called, in the early days of Christianity, where the church fathers and elders debated. This was presided over by the Roman (and Christian) Emperor Constantine (circa 324 A.D.). This council codified (systematized) standard Christian belief and gave the New Testament its present form, depriving some books of the status of Scripture (many of which still exist today and are known as the Apocrypha).
  11. According to Quran all the Prophets, from Adam a.s. to Muhammad p.b.u.h. are pure and sinless/infallible. In the Old Testament (Jewish scriptures which most Christians regard as authoritative), Prophets are not portrayed as being infallible to say the least.
  12. There are many differences between the Quranic and the Biblical versions in the details of certain Biblical stories.
  13. The first source of Muslim Law, is the Qur'an. The second source of law is the Hadith (Traditions of the Prophet Muhammad, p.b.u.h.). The Hadith literature expounds and explains and interprets the Quranic injunctions and teachings. The Hadith do not contradict the Qur'an in any way. And The source of Christian (or Canon) Law is the scripture, which has been interpreted by the Pope for Catholics; by the Patriarch for members of the Orthodox faith; and by the consensus of the community for other groups. The writings of the church fathers would also be relevant.
  14. For Muslims, Prophets are spiritually advanced and are very pure and sinless. They have been sent by God to guide and teach mankind. There have been 127,000 of them from Adam, a.s. to Muhammad p.b.u.h. who was the last Prophet sent, meaning that no more Prophets will come after him. Hence Muhammad p.b.u.h. was called the "Seal of the Prophets." The Prophets were sent as Messengers of God to people in different countries at different times. Prophets do not have the same stature in Christianity that they have in Islam.

Moral Code

Similar to Islam and Christianity

  1. Faith without works is useless (it is not enough to simply say "I believe).
  2. God severely punishes the worship of any deity other than God Himself as well as disrespect toward Him.
  3. Humans have rights (hence the prohibitions on murder, theft, lying, violence).
  4. Parents have special rights (to be honored), as do spouses (hence adultery is forbidden).
  5. Fornication and lewd behaviors are forbidden.
  6. Transgressions similar to the Christian "seven deadly sins" (avarice, pride, greed, gluttony; envy, lust, sloth) are all spiritual illnesses.
  7. Society's laws must be obeyed.
  8. Intoxication is forbidden.
  9. Suicide is forbidden.
  10. Homosexuality is forbidden.

Differences between Islam & Christianity

  1. Islam does not treat law and morality as different things. What is legal/lawful is also moral and conversely what is unlawful/illegal is also immoral. Consequently, Islamic law automatically covers and governs morality -- moral values are not changeable nor are they dependant on the whims of individuals or society. The Islamic legal system combines the two opposites: a) rigid inflexibility and permanency through the Shar'iah (i.e. the divine injunctions of the Qur'an and the Sunnah) and b) the flexibility and fluidity to accommodate man-made legislation with the changing needs of society. There are two forms of legal systems in Islam: i) Fiqh (which cannot be inconsistent with the Shariah) and ii) the derivative form of legislation which is based on the Shariah. Transgressing these two regulations or bounds will make Fiqh (i.e. man-made legislation) ultra vires ab-initio (i.e. absolutely void from the beginning.). But in Secular law, and morality are often different things. For example, abortion is considered legal by the government in Canada. Many Protestants have no problem with this law, yet Catholics forbid it for their followers. What is considered moral has tended to change with each generation. The guideposts and/or criteria of what is considered moral or what is considered immoral are interpreted differently depending on the era or the group (Catholic, Protestant, etc.). Church doctrine, while it can change and be altered, doesn't change so often as the church members interpretations of it do. For example, Jesus' commandment "Love thy neighbour as thyself" has differing interpretations on how to carry it out depending on the time and era and generation; also compliance to this commandment has changed substantially from place to place, group to group and time.
  2. Muslims believe that while the Scripture and Gospels were originally pure and error free, contradiction and error has crept into them over time and so now the current books are considered to be highly suspect. For example we don't know what are really Jesus', a.s. words from what are the scribes words because there were no checks and balances that were put into place to ensure that such errors did not occur. Hence we see several contradictions in both the Old Testament and the New Testament. Even though the Old Testament is regarded as Scripture, Christians do not regard themselves as being bound by Jewish law (this thanks to a dream of St. Peter).
  3. Muslims, like Jews do not consume the flesh of swine. But Christians consume the flesh of swine.
  4. Alcohol and/or intoxication is completely forbidden in Islam. Alcohol intoxication is forbidden for Christians, but alcohol consumption is not.
  5. Free-mixing of sexes is discouraged in Islam. In Christianity free-mixing of the sexes was historically discouraged, but today this injunction doesn't play the role it used to.

Practices

Differences between Islam & Christianity

  1. Muslims do not believe in the separation of 'church from state' (i.e. secularism). However, it is permissible to separate the functions of government (politics) from religion and be undertaken by different individuals -- politics would still be subject to religion. On the contrary, almost all Christian countries have secular governments.
  2. The Muslim daily rituals and practices are clear and detailed (e.g. proper way to use the washroom, specifics of purification for prayer, inheritance, details of Zakat, prescribed punishments, etc.). But in Christianity, lack the details that Islam holds.
  3. Prayer is very specific and exactly the same no matter which country the Muslim happens to live in. There are five prescribed prayers per day at set times according to the rotation of the earth around the sun. All of these prayers are obligatory on every Muslim. The prescribed prayers are recited in Arabic and are recited exactly the same in all countries of the world. The culture of a person does not influence the performance of prayer (salat). It is the exact prayer that Muhammad, p.b.u.h. taught us to do. With a few memorized exceptions in Christianity, like the 'Our Father' and the 'Apostle's Creed,' prayer is an improvised conversation with God; there is neither prescribed time for nor daily number of Christian prayers.
  4. In Islam Actions may be haram (forbidden), halal (allowed), fard (obligatory), sunnah (following the ways of the Prophet Muhammad, p.b.u.h.) and so on. But Christianity don't have any specific categories of actions as seen in Muslim law.
  5. Funeral prayers, the birth of a baby (adhan), donations to charity (i.e. Zakat) etc. are ritualized and clearly set out no matter which culture a Muslim belongs to. In Christianity, certain rites called sacraments are performed: i.e. Baptism, Confession, the Eucharist, etc.
  6. Hymns and devotional services of worship and supplications are an integral part of all Muslim forms of worship. Zikr ceremonies (chanting a name of God), and sama (religious music) are practised more often among the more devout groups of Muslims such as the Sufis. And hymns and devotional music play a big role in Christianity.
  7. In Islam, there is neither institutionalized “church” nor its hierarchy. There are no monks in Islam either. Religious leaders are not obliged to remain celibate. In Christianity there are certain sects (i.e. large sects like the Catholic and Eastern Orthodox churches) condone monkshood. Catholic monks and priests are obliged to remain celibate. Protestant ministers are not obliged to remain celibate.
  8. Muslims are forbidden to put pressure, either directly or indirectly, on another person to convert to Islam. Efforts in this regard have to be through persuasion (i.e. without involving any kind of pressure). The Qur'an clearly lays down the law that the duty and function of all the Prophets and all Muslims is only to convey the message of God. Period. Christians have an obligation to proselytize. Missionary work is considered very important.
  9. Homosexuality is considered to be a perversion and is forbidden. Since the prohibition on homosexuality is found in the Old Testament only, some Christian sects say it does not apply (i.e. the United Church ordains homosexual ministers).
  10. Interest (riba) is forbidden to Muslims who live in Islamic countries. Interest used to be forbidden in Christianity, but it seems that this is no longer the case.
  11. Polygamy is allowed to Muslims. There are strict limitations and prohibitions concerning it so it does not become a method to dominate women. In Christianity, polygamy used to be allowed by the Church, but now it is forbidden to all sects but the Mormons.
  12. All games of chance and gambling are forbidden in Islam. Some sects of Christians are very strict about gambling, but others are not strict at all.
  13. Only females are allowed to wear gold in Islam. But In Christianity Males and females are allowed to wear gold.

Conclusion

There are lots of similarities between Islam and Christianity. From the history of Islam we can see there is no changes in the scripture holy Qur’an and hadith. So, the practices and ideology of Islam remains almost safe. But we can observe lots of changes and conflicts in Bible which is created day by day. The ideology of Christianity has been broken into several parts and every part has huge differences with another. So, after this study, I have come to a belief that

  1. Christianity and Islam came from same source.
  2. Islam has no differences and conflicts against Christianity, but Islam is more extended than Christianity because of its wide work area.
  3. The differences that is present between Islam and Christianity is occurred for the simultaneous change of Christianity in long period.

Reference:

  1. http://www.wikipedia.org
  2. http://muslim-canada.org/islam_christianity.html